Skip to main content

অভিন্দনের বর্তমানের মত উইং কমান্ডার হতে চান? কী করতে হবে? কত বেতন?

অভিন্দনের বর্তমানের মত উইং কমান্ডার হতে চান? কী করতে হবে? কত বেতন?


উইং কমান্ডার


টু'ডে বেঙ্গলি নিউজ : ভারতের বীর সন্তান উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমান প্রতিটি ভারতীয়র গর্ব, একটি অনুপ্রেরনা। আকজের প্রতিটি  যুবক অভিন্দননের মত হতে চায়। কিন্তু বায়ুসেনার উইং কমান্ডার হওয়া কী অতটাই সহজ! আজ জেনে নেব,  কিভাবে আপনি অভিনন্দন বর্তমানের মত বায়ুসেনার উইং কমান্ডার হতে পারবেন, কত টাকা স্যালারী পায় বায়ু সেনার উইং কমান্ডার-

প্রথমেই বলি, ভারতের বায়ুসেনার তিনটি বিভাগ আছে - ১. টেকনিক্যাল ব্রাঞ্চ ২. ফ্লাইং ব্রাঞ্চ,  ৩. গ্রাউন্ড ডিউটি ব্রাঞ্চ।

যারা উইং কমান্ডার হন, তারা ফ্লাইং ব্রাঞ্চ থেকে হন।  উইং কমান্ডার হতে চারটি পদ্ধতি আছে -

১। NDA পরীক্ষার মাধ্যমে ( ন্যাশেনাল ডিফেন্স একাডেমী)  :

এই পরীক্ষার আপনি বিজ্ঞান বিষয়ে  ৬০ শতাংশ নম্বর নিয়ে উচ্চমাধ্যমিক পাশ হলে তবেই  দিতে পারবেন। ম্যাথস এবং ফিজিক্স বিষয় দুটি অবশ্যই থাকতে হবে। বছরে দু'বার এই পরীক্ষা হয়। ১৬ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে ছেলেরাই এই আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করা যায় অনলাইনে । পরীক্ষা হয় ইংরাজী ও হিন্দি ভাষায়। এই লিখিত পরীক্ষায় পাশ করলে হয় ইন্টারভিউ SSB ( সার্ভিস সিলেকশন বোর্ড) এর মাধ্যমে। ইন্টারভিউ তে ইংরাজী তে বেশী ফোকাশ করা হয় কারন, এর মাধ্যমেই পরে আপনি এয়ার মার্শাল,  গ্রুপ ক্যাপ্টেন হবেন। ইন্টারভিউ তে পাশ করলে হয় মেডিকেল টেস্ট। তারপর হয় মেরিট লিস্ট। মেরিট লিস্টে সিলেক্ট হয়ে গেলে প্রথমে হয় ৩ বছরের ট্রেনিং।  আর ৩ বছর কমপ্লিট হয়ে গেলে আরও ১ বছরের স্পেশাল ট্রেনিং হয় হায়দ্রাবাদের এয়ার ফোর্স একাডেমী তে।

২। CDS পরীক্ষা ( কম্বাইন্ড ডিফেন্স সিস্টেম)  :

যেকোনো বিষয়ে গ্রাজুয়েট পাশ রা এই পরীক্ষা দিতে পারবেন। তবে আপনার উচ্চমাধ্যমিকে সায়েন্স থাকতে হবে। এর বয়সসীমা ২০ থেকে ২৪। NDA এর মত শুধু ছেলেরাই আবেদন করতে পারবেন এবং অবশ্যই অবিবাহিত হতে হবে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগের পদ্ধতি উপরের উপরের NDA পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগের মত।

৩। আপনি যদি NCC  ক্যান্ডিডেট হন, তাহলেও আপনার ও সুযোগ থাকবে। এখানে মহিলা হলেও আবেদন করতে পারবেন, তবে আপনার NCC থাকতে হবে। এখানে আছে দুটি ভাগ - পার্মানেন্ট সার্ভিস কমিশন এবং শর্ট সার্ভিস কমিশন। NCC ছেলেরা দুটিতেই আবেদন করতে পারবেন। তবে মেয়েয়া শুধু শর্ট সার্ভিস কমিশনের ক্ষেত্রে আবেদন করতে পারবেন এবং তারপর পরের পর্যায়ে যেতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনার যোগ্যতা হতে হবে গ্রাজ্যুয়েট এবং উচ্চমাধ্যমিকে ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, ম্যাথস বিষয়ে ৬০% নম্বর থাকতে হবে। কোনো মহিলা এয়ারফোর্সে যেতে চাইলে এই NCC এর মাধ্যমে যেতে পারবেন।

৪। AFCAT পরীক্ষার মাধ্যমে( এয়ারফোর্স কমন অ্যাডমিশন টেস্ট)  : যারা বি.টেক / বি.ই পাশ করেছেন, তারা এই পরীক্ষার মাধ্যমে এয়ারফোর্সে যেতে পারবেন। বয়েস হতে হবে ২০ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে। বি.টেক/বি.ই হতে হবে এবং উচ্চমাধ্যমিকে সায়েন্সে ৬০% নম্বর থাকতে হবে। আর অবশ্যই অবিবাহিত হতে হবে। এখানেও আপনাকে প্রথমে AFCAT পরীক্ষা এবং আরও একটি পরীক্ষা EKT ( ইঞ্জিনিয়ারিং কমন টেস্ট) ।  এই দুটি লিখিত পরীক্ষা হয় শুধু ইংরাজী তে। এই পরীক্ষায় পাশ করলে হয় আগের গুলোর মত SSB এর মাধ্যমে ইন্টারভিউ। এর পর সাইকোলজিক্যাল টেস্ট, মেডিকেল পরীক্ষা,  তারপর মেরিট লিস্ট হয়। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ন জিনিষ মনে রাখবেন, যদি আপনি আগে NDA বা, CDS পরীক্ষা দিয়েছিলেন, কিন্তু পাশ করতে পারেন নি, তাহলে এই FCAT পরীক্ষা দিতে পারবেন না।

এই হল  চারটি পদ্ধতি যেটির কোনো একটির মাধ্যমে আপনি এয়ারফোর্সের ফ্লাইং ক্যাটিগরি তে ঢুকতে পারবেন। এবার বলি এই ফ্লাইং ব্রাঞ্চে প্রথমে  কী  পদে চাকরী হবে এবং তারপর প্রমোশনের মাধ্যমে কোন কোন পদে যেতে পারবেন,  এই পরীক্ষার গুলোর সম্পুর্ন কমপ্লিট করার পর - ( Rank অনুসারে নীচে সাজিয়ে দেওয়া হল)

১। ফ্লাইং অফিসার। ( বেতন ক্রম - ৫৬,০০০- ১,৫০,০০০ টাকা)

২। ফ্লাইট লিটেনেন্ট ( বেতনক্রম - ৬১,০০০- ২,০০,০০০/- টাকা)

৩। স্কোডেন লিডার ( বেতনক্রম -৭০,০০০- ২,০০,০০০/- টাকা)

৪। উইং কমান্ডার ( অভিনন্দন বর্তমান যে পদে)  - ( বেতনক্রম - ১,২০,০০০ - ২,২০,০০০ /- টাকা)

৫। গ্রুপ ক্যাপ্টেন  ( বেতন ক্রম - ১,৩০,০০০/- ২,২০,০০০ টাকা)

৬। এয়ার কমান্ডার ( HAG স্কেল)

৭। এয়ার মার্শাল ( HAG স্কেল)

ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স বিশ্বরে ৪র্থ এয়ারফোর্স। ভারতের এয়ারফোর্সে ১,৫০,০০০ কর্মী ও ১৫০০ এর বেশী এয়ার ক্রাফ্ট আছে।
বি:দ্র : পোস্ট ভালো লাগলে প্লীজ শেয়ার করবেন, যারা এয়ার ফোর্সে যেতে ইচ্ছুক তাদের কাছেও পৌঁছে দিন।
আরও পড়ুন এবার সিমকার্ড ছাড়াই কথা বলুন, এসে গেল নতুন সিস্টেম

Comments

Popular posts from this blog

স্টেশন মাস্টার জব প্রোফাইল, প্রমোশন, স্যালারি, কাজ, অনান্য সুযোগ ডিটেইলস

স্টেশন মাস্টার জব প্রোফাইল, প্রমোশন, স্যালারি, কাজ, অনান্য সুযোগ ডিটেইলস Today Bengali News :  'স্টেশন মাস্টার' শব্দটি শুনলেই একটি সাদা পোষাকের মানুষ আর প্লাটফর্মের ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে। ছাত্র- ছাত্রী রা অনেক দিন থেকেই অপেক্ষা করে আছে, কবে স্টেশন মাস্টার পদের ভ্যাকান্সি বের হবে! NTPC 2019 নিয়োগের মাধ্যমে স্টেশন মাস্টার পোস্টে অনেক শূন্যপদে নিয়োগ হবে। এবার জেনে নেই, এই স্টেশন মাস্টার পদের কাজ কি, স্যালারি, প্রমোশন, কাজের সময়, ছুটি কেমন পাওয়া যায়, সব কিছু ডিটেইলস। আগে পোস্ট টি ছিল ASM অর্থাৎ অ্যাসিস্টান্ট স্টেশন মাস্টার। এবছর, রেল বোর্ড সেটি পরিবর্তন করে SM. অর্থাৎ স্টেশন মাস্টার করে দিয়েছে। এক লাইনে যদি স্টেশন মাস্টারের দায়িত্ব  বলতে হয়,  তাহলে কোনো একটি নির্দিষ্ট স্টেশনের সমস্ত দায়িত্ব তার কাঁধে থাকে। প্লার্টফর্মের ট্রেন পাসিং, সিগন্যালিং  তার মূল দায়িত্ব হলেও, যাত্রীদের সুরক্ষা, কোনো ঝামেলা হলে স্টেশনে, অসুস্থতা বিষয়ক সমস্যা, আরও স্টেশনের অনান্য যাবতীয় বিষয়ের সমস্ত বিষয়ের জন্যে তাকে জবাবদিহি দিতে হয়।  অনেক ছোটো স্টেশন আছে, সেখানে স্টেশন মাস্টার কে মাঝে মাঝে, পা

রেলের গুডস গার্ডস পদের জব প্রোফাইল, স্যালারি, প্রমোশন, ডিউটি, ছুটি, ডিটেইলস

রেলের গুডস গার্ডস পদের জব প্রোফাইল, স্যালারি, প্রমোশন, ডিউটি, ছুটি, ডিটেইলস Today Bengali News :   আপনি হয়তো দেখে থাকবেন, মালগাড়ির সবথেকে পিছনের কেবিনে একজন সাদা ড্রেসের ব্যক্তি খাতা নিয়ে বসে থাকে,  কখনও বা ফ্লাগ হাতে। ইনিই হলেন 'গুডস গার্ড'। সহজ কথায়, যেকোনো মাল গাড়ির সবথেকে পিছনের কেবিনের ব্যক্তি টি 'গুডস গার্ড'।  আর সামনের কেবিনে থাকে মালগাড়ির চালক অথার্ৎ অ্যাসিস্টান্ট লোকোপাইলট বা, লোকো পাইলট। তবে আজ জানব, 'গুডস গার্ড' পোস্টের ব্যাপারে। 'গুডস গার্ড' হল মাল গাড়ির ইন চার্জ। এই পোস্টের প্রধান কাজ হল, ট্রেন সঠিক সুরক্ষার সাথে চলছে কিনা সেটি সবসময় খেয়াল রাখা ও চেক করে নেওয়া। স্টেশন মাস্টার বা, ইয়ার্ড মাস্টার এর থেকে একটা ফাইল দেওয়া হয় তাকে, সেখানে মালগাড়ি তে কি কি জিনিষ যাচ্ছে, তার সমস্ত তথ্য পুরন করতে হয়। মালগাড়ির সমস্ত ওয়াগনের দরজা সঠিক বন্ধ আছে কিনা, সেগুলি চেক করে নেওয়া। এছাড়া মালগাড়ির রিপোর্ট অথাৎ কখন, ছেড়েছিল, কত সময়ে পৌঁছে গেছে, সব কিছু রিপোর্ট থাকে তৈরী করতে হয়। 'গুডস গার্ড' পদের মূল  ডিউটি সময় হল ৮ ঘন্টা। কিন্তু ডিউটি ৮ ঘন্টা

কমার্সিয়াল টিকিট ক্লার্ক জব প্রোফাইল, স্যালারি, প্রমোশন, ডিউটি সময় ডিটেইলস

কমার্সিয়াল টিকিট ক্লার্ক জব প্রোফাইল, স্যালারি, প্রমোশন, ডিউটি সময় ডিটেইলস Today Bengali News : রেলওয়ের একটি গুরুত্বপূর্ন কাজ হল কমার্সিয়াল টিকিট ক্লার্ক, যেটিকে কমার্সিয়াল কাম টিকিট ক্লার্ক ও বলা হয়। RRB NTPC পরীক্ষার মাধ্যমে এই Commercial Cum Ticket Clerk পদে নিয়োগ করা  হয়ে থাকে। RRB NTPC 2019 এর নিয়োগে অনেকেই কমার্সিয়াল কাম টিকিট ক্লার্ক পদে আবেদন করেছেন। চলুন জেনে নেই, এই পদের জব প্রোফাইল,  প্রোমোশন, স্যালারি, ডিউটি সময়, ছুটি সব ডিটেইলস সম্পর্কে - কর্মাসিয়াল কাম টিকিট ক্লার্কের কাজ হল মূল UTS এ CRS টিকিট বুকিং করা। বুঝতে পারলেন না তো! UTS অর্থাৎ আন রিজার্ভ টিকিট সিস্টেম এবং CRS অর্থাৎ কম্পিউটারাইজড টিকিট সিস্টেম। আপনারা প্রতিদিন লোকাল ট্রেনে যাতায়াতের জন্যে যার থেকে টিকিট বুক করেন, বা এক্সপ্রেস ট্রেনের জন্যে যার থেকে রিজার্ভ টিকিট বুক করেন, তিনিই হলেন কমার্সিয়াল কাম টিকিট ক্লার্ক। এছাড়া এই পোস্টের আরও একটি কাজ হল লাগেজ, পার্সেল ইত্যাদি বুক করা এবং তার রের্কড নোট করে রাখা। আরও পড়ুন   :  ক্লিক করুন - লকডাউনের মধ্যে চাকরীর আবেদন করুন - ১৫০০+ ভ্যাকেন্সি কমার্সিয়াল কাম ট