Skip to main content

কমার্সিয়াল টিকিট ক্লার্ক জব প্রোফাইল, স্যালারি, প্রমোশন, ডিউটি সময় ডিটেইলস

কমার্সিয়াল টিকিট ক্লার্ক জব প্রোফাইল, স্যালারি, প্রমোশন, ডিউটি সময় ডিটেইলস


কমার্সিয়াল টিকিট ক্লার্ক



Today Bengali News : রেলওয়ের একটি গুরুত্বপূর্ন কাজ হল কমার্সিয়াল টিকিট ক্লার্ক, যেটিকে কমার্সিয়াল কাম টিকিট ক্লার্ক ও বলা হয়। RRB NTPC পরীক্ষার মাধ্যমে এই Commercial Cum Ticket Clerk পদে নিয়োগ করা  হয়ে থাকে। RRB NTPC 2019 এর নিয়োগে অনেকেই কমার্সিয়াল কাম টিকিট ক্লার্ক পদে আবেদন করেছেন। চলুন জেনে নেই, এই পদের জব প্রোফাইল,  প্রোমোশন, স্যালারি, ডিউটি সময়, ছুটি সব ডিটেইলস সম্পর্কে -

কর্মাসিয়াল কাম টিকিট ক্লার্কের কাজ হল মূল UTS এ CRS টিকিট বুকিং করা। বুঝতে পারলেন না তো! UTS অর্থাৎ আন রিজার্ভ টিকিট সিস্টেম এবং CRS অর্থাৎ কম্পিউটারাইজড টিকিট সিস্টেম। আপনারা প্রতিদিন লোকাল ট্রেনে যাতায়াতের জন্যে যার থেকে টিকিট বুক করেন, বা এক্সপ্রেস ট্রেনের জন্যে যার থেকে রিজার্ভ টিকিট বুক করেন, তিনিই হলেন কমার্সিয়াল কাম টিকিট ক্লার্ক। এছাড়া এই পোস্টের আরও একটি কাজ হল লাগেজ, পার্সেল ইত্যাদি বুক করা এবং তার রের্কড নোট করে রাখা।

আরও পড়ুন ক্লিক করুন - লকডাউনের মধ্যে চাকরীর আবেদন করুন - ১৫০০+ ভ্যাকেন্সি

কমার্সিয়াল কাম টিকিট ক্লার্কের মূল বেতন ২১,৭০০/- টাকা। এবং এই পোস্টের গ্রেড পে আছে ২০০০/- টাকা। এছাড়া, রেলওয়ের অনান্য সমস্ত ভাতা, যেমন DA, হাউজ রেন্ট, ইত্যাদি পাবেন। তবে হাউজ রেন্ট নির্ভর করবে, আপনার পোস্টিং কোথায় হয়েছে, তার উপর।  কারন, মেট্রো সিটিতে পোস্টিং হলে হাউজ রেন্ট বেশী পাবেন।  এবং ডিস্ট্রিক সিটি বা, গ্রাম্য কোনো রেলস্টেশনে আপনার পোস্টিং হলে হাউজ রেন্ট কম পাবেন। মনে রাখবেন, রেল কোয়ার্টার নিলে হাউজ রেন্ট পাবেন না। সব মিলিয়ে শুরুতেই আপনার বেতন হবে ২৮০০০ থেকে ৩২ ০০০ এর মধ্যে। এছাড়া পরিবারের মেডিকেল বেনিফিট পাবেন রেলওয়ে হসপিটল থেকে।

কমার্সিয়াল কাম টিকিট ক্লার্কের প্রমোশন নিন্মলিখিত ধাপে ধাপে দেওয়া হল -

  • সিনিয়র কমার্সিয়াল টিকিট ক্লার্ক। ( গ্রেড পে ২৮০০/- টাকা)
  • চিফ কমার্সিয়াল টিকিট ক্লার্ক ( গ্রেড পে ৪২০০/-) 
  • Dy. স্টেশন ম্যানেজার ( গ্রেড পে  ৪৬০০/- টাকা)। 
অনান্য কিছু পোস্টের তুলনায় বেতন কম হলেও কমার্সিয়াল কাম টিকিট ক্লার্ক খুবই ভালো একটি পোস্ট যারা রিলাক্স লাইফ পছন্দ করেন। বিশেষ করে এই পোস্ট মেয়েদের জন্যে উপযোগী। কারন, এর ডিউটি টাইম নির্দিষ্ট।  ৮ ঘন্টা কাজ করতে হবে আপনাকে এবং টিকিট কাউন্টারের মধ্যে বসে কাজ করতে হবে। সপ্তাহে একদিন ছুটি পাবেন। এছাড়া আপনি বছরে ১০ টি ক্যাজুয়াল লিভ, অসুস্থতার ছুটি ( সিক লিভ) সব কিছু নিয়ামানুযায়ী পেয়ে থাকবেন।

এই পদের যোগ্যতা হল, আপনাকে স্বীকৃত উচ্চমাধ্যমিক পাশ হতে হবে এবং বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। মনে রাখবেন এই পোস্ট নিয়োগে স্টেজ I ও স্টেজ II পরীক্ষা দিতে হবে। কোনো টাইপিং টেস্ট দিতে হবে না। লিখিত পরীক্ষায় পাশ করলে, সরাসরি মেরিট লিস্ট, ডকুমেন্টস ভেরিফিকেশন ও মেডিকেল টেস্ট হবে। পোস্টটি তথ্যপূর্ন মনে হলে, নীচের হোয়াটঅ্যাপ বাটনে বন্ধুদের শেয়ার করে দিন।

আরও পড়ুন ক্লিক করুন লকডাউনের মধ্যে এই চাকরীর আবেদন করুন
আরও পড়ুন  রেল গ্রুপ ডি মেডিকেল পরীক্ষায় ছেলে ও মেয়েদের কী কী টেস্ট হয়?

Comments

Popular posts from this blog

স্টেশন মাস্টার জব প্রোফাইল, প্রমোশন, স্যালারি, কাজ, অনান্য সুযোগ ডিটেইলস

স্টেশন মাস্টার জব প্রোফাইল, প্রমোশন, স্যালারি, কাজ, অনান্য সুযোগ ডিটেইলস Today Bengali News :  'স্টেশন মাস্টার' শব্দটি শুনলেই একটি সাদা পোষাকের মানুষ আর প্লাটফর্মের ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে। ছাত্র- ছাত্রী রা অনেক দিন থেকেই অপেক্ষা করে আছে, কবে স্টেশন মাস্টার পদের ভ্যাকান্সি বের হবে! NTPC 2019 নিয়োগের মাধ্যমে স্টেশন মাস্টার পোস্টে অনেক শূন্যপদে নিয়োগ হবে। এবার জেনে নেই, এই স্টেশন মাস্টার পদের কাজ কি, স্যালারি, প্রমোশন, কাজের সময়, ছুটি কেমন পাওয়া যায়, সব কিছু ডিটেইলস। আগে পোস্ট টি ছিল ASM অর্থাৎ অ্যাসিস্টান্ট স্টেশন মাস্টার। এবছর, রেল বোর্ড সেটি পরিবর্তন করে SM. অর্থাৎ স্টেশন মাস্টার করে দিয়েছে। এক লাইনে যদি স্টেশন মাস্টারের দায়িত্ব  বলতে হয়,  তাহলে কোনো একটি নির্দিষ্ট স্টেশনের সমস্ত দায়িত্ব তার কাঁধে থাকে। প্লার্টফর্মের ট্রেন পাসিং, সিগন্যালিং  তার মূল দায়িত্ব হলেও, যাত্রীদের সুরক্ষা, কোনো ঝামেলা হলে স্টেশনে, অসুস্থতা বিষয়ক সমস্যা, আরও স্টেশনের অনান্য যাবতীয় বিষয়ের সমস্ত বিষয়ের জন্যে তাকে জবাবদিহি দিতে হয়।  অনেক ছোটো স্টেশন আছে, সেখানে স্টেশন মাস্টার কে মাঝে মাঝে, পা

রেলের গুডস গার্ডস পদের জব প্রোফাইল, স্যালারি, প্রমোশন, ডিউটি, ছুটি, ডিটেইলস

রেলের গুডস গার্ডস পদের জব প্রোফাইল, স্যালারি, প্রমোশন, ডিউটি, ছুটি, ডিটেইলস Today Bengali News :   আপনি হয়তো দেখে থাকবেন, মালগাড়ির সবথেকে পিছনের কেবিনে একজন সাদা ড্রেসের ব্যক্তি খাতা নিয়ে বসে থাকে,  কখনও বা ফ্লাগ হাতে। ইনিই হলেন 'গুডস গার্ড'। সহজ কথায়, যেকোনো মাল গাড়ির সবথেকে পিছনের কেবিনের ব্যক্তি টি 'গুডস গার্ড'।  আর সামনের কেবিনে থাকে মালগাড়ির চালক অথার্ৎ অ্যাসিস্টান্ট লোকোপাইলট বা, লোকো পাইলট। তবে আজ জানব, 'গুডস গার্ড' পোস্টের ব্যাপারে। 'গুডস গার্ড' হল মাল গাড়ির ইন চার্জ। এই পোস্টের প্রধান কাজ হল, ট্রেন সঠিক সুরক্ষার সাথে চলছে কিনা সেটি সবসময় খেয়াল রাখা ও চেক করে নেওয়া। স্টেশন মাস্টার বা, ইয়ার্ড মাস্টার এর থেকে একটা ফাইল দেওয়া হয় তাকে, সেখানে মালগাড়ি তে কি কি জিনিষ যাচ্ছে, তার সমস্ত তথ্য পুরন করতে হয়। মালগাড়ির সমস্ত ওয়াগনের দরজা সঠিক বন্ধ আছে কিনা, সেগুলি চেক করে নেওয়া। এছাড়া মালগাড়ির রিপোর্ট অথাৎ কখন, ছেড়েছিল, কত সময়ে পৌঁছে গেছে, সব কিছু রিপোর্ট থাকে তৈরী করতে হয়। 'গুডস গার্ড' পদের মূল  ডিউটি সময় হল ৮ ঘন্টা। কিন্তু ডিউটি ৮ ঘন্টা